আম বাগান থেকে রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার - The News Lion

আম বাগান থেকে রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার



দি নিউজ লায়ন;    আম বাগানের মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করলো পুলিশ । রবিবার সকালে এই ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ইংরেজবাজার থানার কোতুয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের টিপাজানি ঘোষপাড়া এলাকায়।  মৃতদেহ দেখে প্রাথমিকভাবে পুলিশ অনুমান করছে যে, ভারী কোন বস্তু দিয়ে মাথা থেঁতলে এবং ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুন করা হয়ে থাকতে পারে ওই যুবককে।


 যদিও এই ঘটনায় মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে ইংরেজবাজার থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তবে এই ঘটনার পিছনে কারা জড়িত রয়েছে সে ব্যাপারে পরিষ্কার করে কিছু জানাতে পারেন নি মৃতের পরিবার। ওই যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে পুলিশ। পাশাপাশি পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। 


পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে , মৃত যুবকের নাম সাদ্দাম শেখ (৩৫)।  তার বাড়ি কোতুয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের আরাপুর নওদাপাড়া এলাকায়। মৃতের  পরিবারে রয়েছে বাবা রাইহান শেখ, মা সাইরু বেওয়া। সাদ্দামরা চার ভাইবোন। সাদ্দাম পরিবারের ছোট।


মৃতের  পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রত্যেক দিনের মতো শনিবার সকালে কাজে বেরিয়ে ছিলেন সাদ্দাম শেখ।  পেশায় সাটারিং মিস্ত্রি সাদ্দাম সকালবেলা কাজের সন্ধানে বেরিয়ে  টিপাজানি এলাকায় যায়। কিন্তু শনিবার রাতে সাদ্দাম আর বাড়িতে ফিরে আসে নি। পরিবারের সদস্যরা সারারাত ধরে খোঁজাখুঁজি করে। কিন্তু তার কোন খোঁজ না মেলায়, এদিন সকালে বাড়ি থেকে দুই কিলোমিটার দূরে টিপাজানি ঘোষপাড়া এলাকায় আম বাগানের ভেতরে মৃতদেহ দেখতে পাই পরিবারের সদস্যরা। খবর দেওয়া হয় ইংরেজবাজার থানার পুলিশকে। পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। 


মৃতের পরিবারের এক সদস্য রুবেল শেখ পুলিশকে জানিয়েছেন, নিশংসভাবে সাদ্দাম কে খুন করা হয়েছে। তবে এই ঘটনার পিছনে কারা জড়িত রয়েছে সে ব্যাপারে পরিষ্কার করে কিছুই বোঝা যাচ্ছে না।  আমরা চাই পুলিশ সঠিক তদন্ত করে দোষীদের গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করুক। 


ইংরেজবাজার থানার আইসি মদন মোহন রায় জানিয়েছেন, এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে খুনের অভিযোগ করা হয়েছে। তবে ঘটনার পিছনে কি কারণ রয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। 


কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.